অনীক আব্দুল্লাহ আমান

Untitled

একবার এক লোক চল্লিশে ভাল থাকতে গিয়ে বিশ নষ্ট করে তিরিশে মরে যান। আমি তার চল্লিশা পাই নাই, যেহেতু এটা বানানো গল্পো।

উনি তার নিজের চল্লিশাতে বিরিয়ানীর আয়োজন করেন। কারণ তার পরিচিত লোকেরা বিরিয়ানী অপছন্দ করত। বিরিয়ানী খাইতে গিয়ে বিড়ি ধরায় মুখচেনা এক ভদ্রলোক অভদ্র কিছু বলতে গিয়ে কিছু বলেন না। কারণ মরা মানুষকে নিয়ে কিছু বলতে নাই। চুপচাপ সবাই খালি বিরিয়ানী খায়।

একজন তার বিরিয়ানীর প্লেটে তেলাপোকা পায়। সে চল্লিশার ব্যাটাকে জিজ্ঞাসা করতে চায় তার প্লেটে তেলাপোকা ভাজি কেন। সবাই তারে বুঝানোর চেষ্টা করে এটা চল্লিশা, জানাযা না। তাই আয়োজকের খাটিয়া নাই। ততক্ষণে বাবুর্চি চলে আসে। সে দাবী করে তেলাপোকা ভাজি হয় নাই। ভাজি হইলে মাংশ নাড়াচাড়া করার সময় তার চোখে পড়ত। বাবুর্চি আর সে ব্যাটা মারামারি করতে চায়। কিন্তু তখন বাবুর্চি ভুলে বলে দেয় যে তেলাপোকা আসলে ভাজি না, সিদ্ধ হইছে। ব্যাটা তখন বুঝতে পারে কেন তেলাপোকার ভেতরে মশলা ঢুকে নাই। পরে সে ব্যাটা বাবুর্চির হাতে তেলাপোকা ভাজির রেসিপি তুলে দেয়।

অনেক দিন পরে, কোন এক বিকালে তারা দুইজন মিলে সুর্যাস্ত দেখতে দেখতে সে ব্যাটা বাবুর্চিকে জিজ্ঞাসা করে তেলাপোকা পারমানবিক বোমা বিষ্ফোরণে বেঁচে থাকলেও সিদ্ধ হয় কেমনে।